বাংলাদেশের ‘গুম’ নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তোলপাড়

নিউজ ডেস্ক
ঢাকা: বাংলাদেশে সাম্প্রতিক গুমের বিষয় নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তুমুল বির্তক হয়েছে। ব্রিটেনের কনজারভেটিভ পার্টির এমপি নাদিন ডোরিস এ বিষয়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র কাছে প্রশ্ন রাখেন।

মিড বেডফোর্ডশায়ারের এমপি নাদিন ডোরিস দিন কয়েক আগে চ্যানেল ফোরের সাংবাদিককে লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড ও কিলবার্নের এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের সঙ্গে বিতর্কের বিষয়টির অবতারণা করেন। গত ২৯ নভেম্বর এ বিতর্ক হয়।

নাদিন ডোরিস ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছেও বাংলাদেশে গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে ব্যাখ্যা চান।

একই সঙ্গে তিনি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, পার্লামেন্টেও অনেক মা জানেন সন্তান জন্ম দেওয়া কত কষ্ট কিন্তু আমরা সে অভিজ্ঞতার বিষয়টি নিয়ে কখনো কথা বলি না। তবে এধরনের বক্তব্য হ্যাম্পস্টেড ও কিলবার্নের এমপি চ্যানেল ফোর’এর সাংবাদিককে লক্ষ্য করে বলে সাংবাদিকতার প্রতি প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়েছেন।

ব্রিটিশ হাউজ অব কমন্সের স্পিকার জন বারকো এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য জানতে চান।

এসময় ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড্যামিন গ্রিন বলেন, বাংলাদেশে মানবাধিকারের বিষয়টি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে ব্রিটেন। আমরা অব্যাহতভাবে বাংলাদেশের সরকারের সকল পর্যায়ে গুমের বিষয়টি নিয়ে কথা বলছি।

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের এ বিতর্ক চ্যানেল ফোর’এর ফেসবুক থেকে নেওয়া। ক্লিক করুন

যুক্তরাজ্যের ‘লেবার নিউকামার এমপি অফ দ্য ইয়ার’ টিউলিপ সিদ্দিক
‘লেবার নিউকামার এমপি অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাজের্য লেবার পার্টির এমপি ও বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিরবুর রহমানের নাতনি টিউলিপ সিদ্দিক। লন্ডনের ওয়েস্টমিনিস্টারে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণিতে টিউলিপকে এই পুরস্কার দেয় প্যাচওয়ার্ক ফাউন্ডেশন নামক দেশটির একটি সংগঠন।

ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে এই খেতাব পাওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন টিউলিপ সিদ্দিক। এতে তিনি লিখেছেন, ‘লেবার নিউ কামার এমপি অব দ্য ইয়ার সনদ পেয়ে আমি গর্বিত।’

গত বুধবার যুক্তরাজ্যের হাউস অব কমন্সের স্পিকার জন বারকাও টিউলিপ সিদ্দিকের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন। উল্লেখ্য, এ বছর দ্বিতীয়বারের মতো লেবার পার্টির টিকিটে হ্যাম্পস্টেড ও কিলবার্ন আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন টিউলিপ সিদ্দিক। ২০১৫ সালেও একই আসন থেকে লড়ে জয় পেয়েছিলেন টিউলিপ।

ব্রিটেনের গণতন্ত্র ও সুশীল সমাজে বিভিন্ন সম্প্রদায়কে যুক্ত করতে প্যাচওয়ার্ক ফাউন্ডেশন কাজ করে। যুক্তরাজ্যের তরুণদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে ও রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার জন্যও তারা উৎসাহ দেয়। যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ও বিরোধী দলের নেতা জেরেমি করবিন উভয়েই এই সংস্থাটির কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।