টিকল না শাকিব-অপু সংসার

টিকল না শাকিব-অপু সংসার

বিনোদন ডেস্ক
ঢাকা: থেমে গেছে শাকিব খান অপু বিশ্বাসের বিয়ে বিচ্ছেদ নিয়ে সকল প্রকার জল্পনা-কল্পনা আর রসালো সব মন্তব্যের ঝড় । অপু বিশ্বাসও সবকিছু ভাগ্যের উপর ছেড়ে দিয়েছেন। অন্যদিকে শাকিব খানের কথিত প্রেমিকা চিত্রনায়িকা শবনম বুবলিও অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সহসা বিয়ে করবেন না বলেও ঘোষণা দিয়েছেন বুবুলি। তবে বুবলির প্রায় সব সিনেমাতেই তার বিপরীতে অভিনয় করছেন শাকিব খান। অচিরেই লম্বা এক সময় নিয়ে দেশের বাইরে শুটিং করতে যাচ্ছেন তারা। ফলে শুটিং এবং শুটিংয়ের একসঙ্গেই সময় কাটাবেন তারা। এদিকে অপু বিশ্বাসের বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ শাকিব খান। সবার অনুরোধ এবং পরামর্শ উপেক্ষা করে বিচ্ছেদের পথই বেছে নিয়েছেন তিনি। বলেছেন, যা হওয়ার আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হবে। এটা নিয়ে কোনো যত কথা বলবো, ততই জলঘোলা হবে।

কিন্তু মিডিয়াপাড়ায় আপাতত থেমে গেলেও সিনেমাপাড়ায় বিষয়টা যেন এখনো চাপা উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। শুধু তাই নয়, কানা-ঘুষার পাশাপাশি বেরিয়ে আসছে আরও কিছু অজানা তথ্য। চলচ্চিত্র পরিবারের বেশ কয়েকটি নির্ভরযোগ্য সূত্র দাবি করছে- শাকিব-অপুর বিচ্ছেদ যেন অনেক আগেই হয়েছিল। শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা আর কাগজে-কলমের বিষয়টাই বাকি ছিল। প্রায় এক বছর ধরেই দু’জন আলাদা আলাদা বসবাস করেছেন তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, অপু বিশ্বাসও জানতেন, এতকিছুর পরে শাকিব খানের সাথে কখনোই আর সংসার হবে না। তালাকনামা পাঠানোর আগে দু’পক্ষের কাছের কয়েকজন, এমনকি দু’তিন জন বিনোদন সাংবাদিকের মধ্যস্থতায় গোপনে দফায় দফায় বৈঠক করা হয় বিষয়টি নিস্পত্তির জন্য। তবে সেই নিষ্পত্তি দু’জনকে একই ছাদের নিচে রাখার জন্য নয়, চূড়ান্ত বিচ্ছেদের জন্য। কিন্তু কেবলমাত্র অপু বিশ্বাসের মাত্রাতিরিক্ত দাবি-দাওয়ার কারণে কোনোরকম সুরাহা ছাড়াই অমীমাংসিত অবস্থাতেই বৈঠকের ইতি টানা হয়। যতবারই বৈঠকে বসা হয়েছে ততবারই অপু দাবি করেছেন, তালাক দিলে ৫ কোটি টাকা দিতে হবে, ৫ কোটির এক টাকা কম হবে না। কিন্তু শাকিব খান বরাবরই দেনমোহরে যা লেখা আছে, তার বেশি একটা টাকাও দেবেন না বলে জানান।

সূত্র জানায়, মূলত দুজনের জেদাজেদির কারণেই সঠিক সমাধান করা সম্ভব হয়নি। ফলশ্রুতিতে ঘরোয়া সমাধানের আশা ছেড়ে দিয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় অপু বিশ্বাসের বাসায় তালাকনামা পাঠান শাকিব খান।

উল্লেখ্য, সাংবাদিকদের কাছে অপু বিশ্বাস বিয়ের কাবিননামায় দেনমোহর হিসেবে ৭ কোটি ১ লাখ টাকার কথা উল্লেখ করলেও শাকিব খান তা অস্বীকার করে আসছেন। পাশাপাশি এটাকে অপুর মিথ্যাচার বলে মন্তব্য করে মিডিয়ার কাছে শাকিব খান জানান, ৭ কোটি ১ লাখ নয়, দেনমোহর ছিল ৭ লাখ ১ টাকা।সূত্রটিও শাকিবের তথ্যটিই সঠিক এবং নিশ্চিত বলে দাবি করে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।