প্রহসনের নির্বাচন বাতিল করে দ্রুত পুনঃনির্বাচন দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা: কারচুপি, ভোট ডাকাতি আর জাল ভোটের নির্বাচন বাতিলের দাবি জানিয়ে ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘আমরা এই প্রহসনের নির্বাচনের ফলাফল পুরোপুরিভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। একইসঙ্গে অবিলম্বে নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে নতুন করে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আয়োজনের দাবি জানাচ্ছি।’

ভোটের দিন রবিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত ৮টায় রাজধানীর বেইলি রোডের বাসায় ভোট পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি জানান কামাল।

এসময় উপস্থিত সাংবাদিকদের ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচন আবারও প্রমাণ করলো ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করা ভুল ছিল না। দলীয় সরকারের অধীনে এদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন কখনই সম্ভব না- সেটা আরও একবার জনগণের সামনে প্রমাণ হলো।’

তিনি বলেন, ‘দেশের সব আসন থেকে একই রকম ভোট ডাকাতির খবর এসেছে। এই পর্যন্ত বিভিন্ন দলের শতাধিক প্রার্থী নির্বাচন বর্জন করেছে। নির্বাচন কমিশনকে বলছি, এই নির্বাচন বাতিল করা হোক। আমরা এই ফলাফল প্রত্যাখান করছি এবং বিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচন দাবি করছি। অবিলম্বে নতুন নির্বাচন দাবি জানাচ্ছি।’

ঐক্যফ্রন্টের এই প্রধান নেতা আরও বলেন, ‘আগামীকাল আমাদের করণীয় নিয়ে বসবো।। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব ও ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘পুরো নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করছি। এটি নির্বাচন নয়, প্রহসন।’

তিনি বলেন, ‘অনেকে বলেছে, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচনো না গিয়ে ভুল করেছিলাম। এই নির্বাচন প্রমাণ করছে, ২০১৪ সালে নির্বাচন না যাওয়াটা সঠিক ছিলো। দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন কোনোদিনই সম্ভব নয়।’

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান,গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা:জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।