একাদশ সংসদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গণফোরাম: বিবিসিকে ড. কামাল

নিউজ ডেস্ক
ঢাকা: নির্বাচনের সামগ্রিক ফল প্রত্যাখ্যান করলেও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে ড: কামাল হোসেনের দল গণফোরাম সংসদে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

দলটির দুজন প্রার্থী ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন। তারা হলেন – সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ ও মোকাব্বির খান।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড: কামাল হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেন, “সুলতান মনসুর ও মোকাব্বির খান- প্রকৃত অর্থে তারা নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের শপথ নেয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে।”

এর আগে আজ ঢাকায় শিশু কল্যাণ পরিষদে গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভা হয়।

সেই সভাতেই বিষয়টি আলোচনা হয় এবং দল থেকে সংসদে যাওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে দলের নেতারা জানান।

পরে কামাল হোসেন বিবিসি বাংলাকে বলেন, ” আমরা মনে করি সুলতান মনসুর ও মোকাব্বির খান- প্রকৃত অর্থে তারা নির্বাচিত হয়েছেন। তারা বিরোধী দল হয়ে সংসদে থাকলেন। অনেক তথ্য জানতে পারবেন এবং তা বাইরে তুলে ধরতে পারবেন।”

মিস্টার হোসেন বলেন যদিও বাকী নির্বাচনকে অবৈধ মনে করেন তারা কিন্তু এ দুজনের জয়লাভকে তারা বৈধ মনে করেন।

কিন্তু বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন যে তাদের যে পাঁচজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে তারা শপথ নেবেন না।

এ বিষয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে গণফোরামের প্রধান মিত্র বিএনপি’র ঘোষণার বিষয়ে মিস্টার হোসেন বলেন, “বিএনপি যদি তাদের কারণগুলো জানান তাহলে হয়তো আমরা দেখতে পারি। আমাদের দিক থেকে আমরা মনে করে আমাদের দুজন সংসদে গেলে সেটা আমরা ইতিবাচকভাবেই দেখবো।”

ফোনে বিবিসি বাংলার সাথে ড: কামাল হোসেনের সাক্ষাতকার:

কামাল হোসেন: আমাদের দুজন মোকাব্বির খান ও সুলতান মনসুর, এই দুজনই আমরা মনে করি যে তারা তো প্রকৃত অর্থে নির্বাচিত হয়েছেন। সেই কারণে আমরা মনে করি তারা বিরোধী দলের হয়ে সংসদে থাকলেন। অনেক কিছু তথ্য জানলেন। তথ্য বাইরে এসে তুলে ধরতে পারবেন, ইত্যাদি। যদিও আমরা বাকী নির্বাচনকে মনে করি অবৈধ, কিন্তু এনাদের দুজনের নির্বাচন আমরা মনে করি বৈধ।

বিবিসি বাংলা: সে কারণে কি তারা শপথ নেবেন?

কামাল হোসেন: নেওয়ার জন্য নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বিবিসি বাংলা: কিন্তু আপনাদের শরিক বিএনপি বলছে তারা শপথ নেবে না।

কামাল হোসেন: এরকম একটা ভিন্ন অবস্থান বোধহয় তাদের আছে। হয়তো ওরা যদি আমাকে জানায় কারণগুলো আমরা হয়তো পুনর্বিবেচনা করতে পারি। আমাদের দিক থেকে আমরা মনে করি আমাদের দুজন সংসদে গেলে সেটাকে আমরা ইতিবাচক ভাবেই দেখবো।