বিটিভিকে নিয়ে তারানা হালিমের নতুন পরিকল্পনা

নিউজ ডেস্ক
ঢাকা: বাংলাদেশ টেলিভিশনের মানোন্নয়নে সকল কর্মচারী, শিল্পী, কলাকুশলীসহ সবাইকে একযোগে কাজ করতে আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া হবে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম সোমবার বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে তার দপ্তরে বৈঠককালে এ কথা বলেন। খবর বাসসের।

তিনি বলেন, সংবাদ ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বিটিভিকে জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে, যাতে জনগণ এর সুফল সম্পর্কে সচেতন হয়।

এছাড়াও বিটিভিকে দ্রুত ডিজিটালাইজড করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন প্রতিমন্ত্রী।

তথ্যসচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক এস এম হারুন অর রশিদ, উপ-মহাপরিচালক (বার্তা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, উপ-মহাপরিচালক (অনুষ্ঠান) সুরৎ কুমার সরকার, প্রধান প্রকৌশলী মো. সোলেমান হক, মহাব্যবস্থাপক মাসুদুল হক, মূখ্য বার্তা সম্পাদক ড. সৈয়দা তাসমিনা আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

৫ দিন পর নতুন দপ্তরে যোগ দিয়ে যা বললেন তারানা
ঢাকা: মন্ত্রিসভায় রদবদলের পাঁচ দিন পরে নতুন মন্ত্রণালয়ে গিয়ে যোগ দিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ে যান তারানা হালিম। এ সময় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সেইসঙ্গে নিজের দায়িত্ব বুঝে নেন তিনি।

সরকারের শেষ সময়ে এসে গত ২ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদে নতুন করে তিন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরদিন দপ্তর বণ্টন ও পুনর্বণ্টন হয় নতুন-পুরোনো মিলিয়ে মোট নয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর।

সদ্য নিয়োগ পাওয়া টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে সরিয়ে প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমকে দেওয়া হয় তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব।

দায়িত্ব নেওয়ার পর শনিবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী একটি ডুবন্ত নৌকাকে জাগিয়ে তোলার দায়িত্ব আমার ওপর দিয়েছেন। আমি সফল হতে পারব, এমন আস্থা ও বিশ্বাস থেকে প্রধানমন্ত্রী আমার ওপর এ দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি সফল হলে প্রধানমন্ত্রীও সফল হবেন, শক্তিশালী হবেন। তার সম্মান রাখার জন্য আমি কাজ করব।’

তবে রবিবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে নিজের কাজের বিষয়ে কথা বলেন তারানা হালিম। তিনি বলেন, ‘আমি যখন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে ছিলাম, তখন মানুষের থ্রিজি সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না। আমরা থ্রিজি থেকে ফোরজি-তে পদার্পণ করেছি। বায়োমেট্রিক নিবন্ধন সম্পন্ন করেছি। ডাক বিভাগেহ সফলতা এনেছি। স্যাটেলাইট সম্পর্কে আমাদের দেশের মানুষের কোনো ধারণাই ছিল না। সেখানেও আমরা সফল হতে যাচ্ছি। এগুলো সবই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের অবদানে। তাদের উৎসাহ ও সহযোগিতায় সফল হয়েছি।’

প্রসঙ্গত, নতুন দায়িত্ব পাওয়া নয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে তারানা হালিমই সবার শেষে নিজের দায়িত্ব বুঝে নিলেন। গত চার বছর ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।