‘আমার অনেক বন্ধুর মাথা থেকে হিজাব প্রকাশ্যে ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ক্যানবেরা: মুসলিম ও কৃষ্ণাঙ্গদের টারগেট করে ক্রমবর্ধমান ঘৃণা অপরাধের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলীয় মুসলিম অধিকার কর্মী ইনাজ জানিফ। শিশুদেরকেও বর্ণবাদ ও অপব্যবহারের লক্ষ্যবস্তু বানানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সম্প্রতি অস্ট্রেলীয় সংবাদমাধ্যম ‘এসবিএস’কে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ইনাজ জানিফ বলেন, ‘আমার অনেক বন্ধুদের আক্রমন করা হয়েছে। অনেক বন্ধুদের রাস্তায় পেছন থেকে তাড়িয়ে নেয়া হয়েছে। অনেক বন্ধুর মাথা থেকে হিজাব প্রকাশ্যে ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে।’

সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ১০ বছর আগের তুলনায় দেশটিতে বর্ণবাদের ঘটনা অনেক বেড়েছে।

স্ক্যানলোন ফাউন্ডেশনের ‘সামাজিক সংহতি’ শীর্ষক জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, ত্বকের রঙ, জাতিগত উত্স বা ধর্মের কারণে অনেক লোক বৈষম্যের সম্মুখীন হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। ২০০৭ সালে এই বৈষম্যের হার ছিল ৯ শতাংশ। ২০১৭ সালে এসে তা দাঁড়িয়েছে ২০ শতাংশে।

জড়িপের এই ফলাফল জানিফকে আশ্চর্য করেনি। কেননা কিশোরী বয়স থেকেই জানিফকে এই ধরনের অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছে।

১৮ বছর বয়সে প্রথম চাকরির সাক্ষাতকারে তাকে বলা হয়েছিল, ‘তাদের কোম্পানিতে চাকরি করতে হলে তাকে হিজাব খুলতে হবে।’

ভিক্টোরিয়ান ভিত্তিক এই শিক্ষক ও মুসলিম প্রবক্তা এসবিএস নিউজকে বলেন, ‘এরকম পরিস্থিতিতে কি করা উচিৎ তা ১৮ বছর বয়সী একজন তরুণীর জন্য সত্যিই কঠিন ছিল বলে আমি মনে করি।’

তিনি বলেন, ‘কিন্তু আমি আামর নিজের বিশ্বাসে অটল ছিলাম। আমি তাদের বলেছিলাম, আমার মাথায় থাকা এক টুকরো কাপড় আমার যোগ্যতাকে কমিয়ে দিবে না।’

বয়স্কদের দ্বারা মুসলিম টিনেজারদের নির্যাতনের বিষয়টি লক্ষ্য করে জানিফ বর্ণবাদের বিরুদ্ধে তার লড়াই চালিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

জানিফ বলেন, ‘এটি একটি সংকেত যে তরুণরা সহিংসতা এবং ঘৃণাকে গ্রহণ করছে এবং এটা আমার কাছে গ্রহণযোগ্য নয় এবং এর বিরুদ্ধে সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত।’

তিনি জানান যে, শিশুদের লক্ষ্য করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিনি ইসলামফোবিক পোস্টার দেখতে পেয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘শিশুদের নিয়ে বর্ণবাদী আচরণ করা উচিৎ নয়। শিশুদেরকে ঘৃণা অপরাধের বাইরে রাখার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি আমি।’

‘I was told I could have a job if I stopped wearing a hijab’: Muslim high school teacher explains why she refuses to take off her headscarf
*Melbourne teacher Inaz Janif says she was asked to remove hijab to get a job.
*She recalled demand when she was offered a job as a teenager at a coffee shop.
*Scanlon Foundation reported showed 41 per cent disapproval rating for Muslims.

A Muslim woman says she was offered a job as a teenager on the condition she stopped wearing a hijab.

Inaz Janif, who now works as a high school teacher in Melbourne, told SBS it was a difficult decision to make as an 18-year-old woman.

‘The first job I applied for as a teenager, I was told I could have it at a coffee shop if I stopped wearing hijab,’ she said.

However, she stood her ground and insisted she be allowed to work with the hijab on.

‘I stayed true to myself. A piece of fabric on my head has nothing to do with my employability,’ she said.

Her observations follow a report by the Scanlon Foundation, which found 41 per cent of surveyed Australians had a negative view of Muslims, compared with just six per cent for Christians and four per cent for Buddhists.
RELATED ARTICLES

The Mapping Social Cohension report said Australians were concerned about Muslims disrespecting Australian values.

‘This negativity is in part fed by the reality – and the heightened perception – of radical rejectionism of Australia’s secular democratic values and institutions within segments of the Muslim population,’ it said.

The report also found those reporting discrimination on the basis of their skin colour, ethnic origin or religion more than doubled, from nine per cent to 20 per cent, between 2007 and 2017.