একদিনে সাড়ে ছয়শো শনাক্ত, মোট রোগী সাত হাজার ছাড়ালো

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৬৪১ জন। এনিয়ে মোট আক্রান্ত হলো ৭১০৩ জন।

এই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৮ জন। এনিয়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ১৬৩ জন হলো।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৭০৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং আগের কিছু নমুনা মিলিয়ে মোট ৪৯৬৮টি নমুনা পরীক্ষা করে আক্রান্তের এই সংখ্যা পাওয়া যায়। নমুনা পরীক্ষার হার আগের দিনের তুলনায় ১৪.৬৮% বেশি।

এ পর্যন্ত মোট ৫৯৭০১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

মৃতদের মধ্যে পুরুষ ৬ জন। বাকি ২ জন নারী। এদের মধ্যে ৬ জন ঢাকার মধ্যে এবং বাকি দুই জন ঢাকার বাইরে। এ পর্যন্ত মৃতদের মধ্যে বেশিরভাগ মৃত্যুই ঢাকা বিভাগে হয়েছে। ঢাকায় এ পর্যন্ত এই সংখ্যা ১৩৭ জন ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান প্রতিষ্ঠানটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, মৃতদের বয়স ভিত্তিক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এদের মধ্যে ষাট বছরের বেশি বয়সী ৪ জন, ৫০-৬০ বছরের দুই জন এবং ৩১-৪০ বয়স সীমার মধ্যে দুই জন।

গত চব্বিশ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১১ জন। এনিয়ে মোট ১৫০ জন সুস্থ হয়েছেন।

ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, আক্রান্তদের মধ্যে মাত্র এক ভাগ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আর তিন ভাগ রোগী বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নেয়া রোগীদের মধ্যে রোগমুক্তির সংখ্যা ৩৮ জন। আর হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া রোগীদের সংখ্যা ২৮শে এপ্রিল পর্যন্ত ১২ জন।

“বাড়িতে থাকা রোগীদের মধ্যে মৃদু সংক্রমণ থাকে। “

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গ শেষ হয়ে গেলে তার ১৪দিন পর একটি নমুনা নেয়া হয় এবং এর সাত দিন পর আরেকটি নমুনা নেয়া হয়। এই দুটি নমুনা পরীক্ষায় নেগেটিভ আসলে তাকে সুস্থ বলে ধরা হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আইসোলেশনে এসেছেন ১০৪ জন। এপর্যন্ত ১৩৪০ জন আইসোলেশনে আছেন। আইসোলেশন থেকে মুক্ত হয়েছেন ২৪ ঘণ্টায় ৪৮ জন এবং এ পর্যন্ত মোট ৮৩৩ জন মুক্ত হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ২৪১২ জন এবং প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন ১৩২ জন।