চার সহযোদ্ধাকে হত্যা করল ভারতীয় সেনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
দিল্লি: ভারতের ছত্তিশগড়ে সেনাবাহিনীর এক সদস্যের গুলিতে নিহত হয়েছেন তার চারজন সহযোদ্ধা। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো এক সেনা সদস্য। তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কোনো বিষয় নিয়ে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে নিজের হাতে থাকা একে-৪৭ রাইফেল থেকে গুলি ছুঁড়েন ৩৫ বছর বয়সী সনথ কুমার। এতে ঘটনাস্থলেই চারজন মারা যন।

অন্য একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে ভারতের আধা সামরিক বাহিনী সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (সিআরপিএফ) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

রাজ্য পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তা সুন্দর রাজ বলেছেন, সিআরপিএফ সদস্য সনথ কী পরিস্থিতিতে এবং কেন এমন ঘটনা ঘটালেন সে বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

মাওবাদী বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর জন্য ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে সিআরপিএফ সদস্যদের জড়ো করা হয়েছে। এর মধ্যেই এই ঘটনা ঘটলো।

ভারতে মিরেজ জঙ্গিবিমান বহর রক্ষণাবেক্ষণ কাজে বিপর্যয়
ভারতের মিরেজ ২০০০-এইচ জঙ্গিবিমান বহর উন্নয়নের কাজ আটকে গেছে। এই বিমানের খুচরা যন্ত্রাংশের মূল সরবরাহকারী ফ্রান্সের ডসাল্ট এভিয়েশন ও থালেসের দেয়া ওয়ারেন্টির মেয়াদ শেষ হওয়ায় এই বিপত্তি দেখা দিয়েছে।

তাছাড়া বিল পরিশোধ নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় পক্ষগুলো ওয়ারেন্টি বাড়তে ইচ্ছুক নয় বলেও জানা গেছে।

রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দুই ফরাসী কোম্পানি ভারতের রাষ্ট্র মালিকানাধীন হিন্দুস্তান এরোনটিকস লি. (এইচএএল)-এর কাছে বার্ষিক ১৫ মিলিয়ন ডলার দাবি করছে। চুক্তি অনুযায়ী মূল প্রতিষ্ঠানগুলোকে জঙ্গিবিমানের বিভিন্ন ব্যবস্থা হালনাগাদ করার দায়িত্ব দেয়া হয়।

এর ‘টুলিং এন্ড টেস্ট’ মেশিনারি এবং যন্ত্রাংশের জন্য যে ওয়ারেন্টি ছিলো তার মেয়াদ গতমাসে উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। এদিকে বিল পরিশোধে অস্বীকার করে এইচএএল। তারা বিমানবাহিনীকে এই বিল পরিশোধ করতে বলছে। অন্যদিকে বিমানবাহিনী বলছে যে এইচএএল-এর সঙ্গে আপগ্রেড-সংশ্লিষ্ট যে চুক্তি রয়েছে বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ খরচও তার অন্তর্ভুক্ত।

এ ব্যাপারে এইচএএল’র নির্বাহীরা আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তবে, কোম্পানির একটি সূত্র জানায় যে বিষয়টি নিয়ে তারা বিমান বাহিনীর সঙ্গে কথা বলছেন।

এইচএএল বর্তমানে ৪৭টি মিরেজ জঙ্গিবিমান নিজস্ব উপায়ে হালনাগাদের কাজ করছে। ২০১৫ সাল থেকে এই প্রচেষ্টা শুরুর পর এ পর্যন্ত তারা সাতটি এয়ারক্রাফট বিমানবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করতে পেরেছে।

ভারতের বিমানবাহিনীর বহরে থাকা ৫১টি মিরেজ ২০০০এইচ জঙ্গিবিমান আপগ্রেড করে মিরেজ ২০০০-৫ সংস্করণ তৈরি করার জন্য ২০১১ সালের জুলাইয়ে ফ্রান্সের ডসাল্ট এভিয়েশন ও থালেসের সঙ্গে ২.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি করে ভারত।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।